Skip to content

জামদানি আর বেলি ফুলের খোঁপায় পূর্ণিমার নতুন লুক, মুগ্ধ ভক্তরা

জামদানি শাড়ি পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একগুচ্ছ নতুন ছবি দিয়েছেন অভিনেত্রী পূর্ণিমা। ছবিগুলোতে তাঁর সাজ দেখে অনেকেই বলছেন, এ যেন বাঙালি নারীর চিরচেনা রূপ।

এই লুকের মূল আকর্ষণ দুটি, জামদানি আর খোঁপায় জড়ানো ফুলের মালা। আলাদা করে কোনো জমকালো আয়োজন নেই। তবু ছবিগুলোতে একধরনের স্নিগ্ধ আভিজাত্য ধরা পড়েছে।

ছবির ক্যাপশনে পূর্ণিমা লিখেছেন, জামদানির আবহ আর কখনো পুরোনো না হওয়া সৌন্দর্য। ছোট্ট এই বাক্যেই জামদানির প্রতি তাঁর ভালোবাসাটা বোঝা যায়।

অতিরিক্ত গয়না বা ভারী সাজের দিকে যাননি তিনি। বরং নিজের স্বাভাবিক সৌন্দর্যকেই সামনে রেখেছেন। শাড়ির ঐতিহ্য আর ফুলের সরলতা মিলে পুরো ছবিতে তৈরি হয়েছে মায়াবী একটা আবহ।

ছবি প্রকাশের পর ভক্তদের অনেকেই প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, ফ্যাশনের ধরন যতই বদলাক, জামদানির আবেদন কমে না।

জামদানি কেন আলাদা

জামদানি আসলে হাতে বোনা কাপড়। এর ফুল বা জ্যামিতিক নকশা ছাপা বা এমব্রয়ডারি করা হয় না। তাঁতে বোনার সময়ই প্রতিটি নকশা আলাদা সুতো দিয়ে তোলা হয়। এ কারণে একটি শাড়ি বুনতে অনেক সময় মাসের পর মাস লেগে যায়। জামদানি বুনন বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত।

সুতি কাপড় বলে গরম আর আর্দ্র আবহাওয়াতেও এটি পরে আরাম পাওয়া যায়। হয়তো সে কারণেই প্রজন্ম বদলালেও বাঙালি নারীর পছন্দের তালিকায় জামদানি জায়গা ধরে রেখেছে।

খোঁপায় বেলি ফুলের গল্প

শাড়ির সঙ্গে খোঁপায় ফুল দেওয়ার চল বহুদিনের। বেলি ফুল সাধারণত সন্ধ্যায় ফোটে, পরদিন দুপুরের মধ্যেই ঝরে যায়। পহেলা বৈশাখ থেকে বিয়ে, নানা অনুষ্ঠানে নারীরা এই ফুলে সাজেন। সুগন্ধ আর স্নিগ্ধ সাদা রঙের কারণে শাড়ির সঙ্গে এটি বেশ মানিয়ে যায়।

এখনকার ট্রেন্ড

ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের মতে, জামদানির সঙ্গে হালকা বা মিনিমাল সাজই এখন বেশি জনপ্রিয়। কপালে টিপ, খোঁপায় ফুল আর হাতে চুড়ি, এটুকুতেই পুরো লুক সম্পূর্ণ হয়ে যায়। পূর্ণিমার এই সাজও ঠিক সেই ধারাতেই পড়ে।

ঐতিহ্য আর সরলতা মিলিয়ে এই লুক অনেক পাঠকের কাছেই সাজের অনুপ্রেরণা হতে পারে।

তানভীর হাসান

তানভীর হাসান একজন বিনোদন ও পপ-কালচার গবেষক। দেশি-বিদেশি শোবিজ, সেলিব্রিটিদের লাইফস্টাইল ও ট্রেন্ডিং খবর কভার করতে তিনি ভালোবাসেন। তিনি wowbangla.com-এর প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *